প্রশ্নোত্তরঃ নারী নির্যাতন কারণ ও প্রতিকার

১. প্রতিদিনের প্রভাতী কাগজ গুলোতে থাকে ৪ ধরণের লোমহর্ষক কাহিনী। তা কি কি?
উত্তরঃ ১. নারী নির্যাতন। ২. নারী অপহরণ। ৩. নারী ধর্ষণ। ৪. নারী হত্যা।
২. নারী নির্যাতন নামক সমস্যা না কমে বরং বাড়ছে। এর কারণ কি?
উত্তরঃ সিরাতুল মুস্তাকীম ছেড়ে অন্য পথে চলা।
৩. নারী সমাজের পশ্চাতপদতা দেশের কি ক্ষতি করে?
উত্তরঃ দেশের অগ্রগতি বিঘ্নিত করে।
৪. শবমেহের কত সালের কত তারিখে পাশবিক অত্যাচারে মৃত্যু বরণ করে?
উত্তরঃ ১৯৮৫ সালের ১ এপ্রিল।
৫. আইয়ামে জাহেলিয়াতের সেই অন্ধকার যুগে কন্যা সন্তান ভূমিষ্ট হলে কি হতো?
উত্তরঃ মা বাপের মুখ কালো হয়ে যেতো।
৬. আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে অপমান আর অবমাননার ভয়ে মা বাপেরা কি করতে দ্বিধা করতে না?
উত্তরঃ মেয়েকে জীবন্ত কবর দিতে দ্বিধা করতো না।
৭. নারী নির্যাতনকে কেবল সমস্যা হিসাবে স্বীকৃতি দিলে চলবে না। তাহলে কি করতে হবে?
উত্তরঃ সমস্যার আসল কারণ অনুসন্ধান করতে হবে।
৮. ষড়যন্ত্রের জালে জড়িয়ে যারা নারীদেরকে পতিতাবৃত্তির ঘৃণিত পেশায় নিয়োজিত করে, তারা প্রকৃত পক্ষে কারা?
উত্তরঃ মানবতার জঘন্যতম দূশমন নরপশু ইবলিসি শক্তির এজেন্ট।
৯. পতিতাবৃত্তি পেশার অন্তরালে একটি কূচক্রী সমাজ রয়েছে। এরা কারা?
উত্তরঃ নারী সমাজের পহেলা নম্বরের দুশমন।
১০. পতিতাবৃত্তির এ পেশাটি সমাজের কি? মানব সমাজের জন্য এর অবস্থান কি?
উত্তরঃ কলংক এবং ক্যান্সার স্বরূপ।
১১. পতিতাদের স্বাস্থগত জরীপ অনুযায়ী ৯৮ ভাগ পতিতা কোন ধরণের রোগে আক্রান্ত?
উত্তরঃ সিফিলিস ও গনোরিয়া।
১২. দূর্বৃত্ত আর দুস্কৃতিকারী এবং দাগী আসামীদের কেন্দ্রস্থল ও আশ্রয়স্থল কোথায়?
উত্তরঃ পতিতালয়।
১৩. ১৯৮৮ সালের হিসাব অনুযায়ী রাজধানীতে পতিতার সংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ ২০ হাজার।
১৪. আমাদের মধ্য থেকে  একটা শ্রেণী, যারা বৃটিশদের সেবাদাসের ভূমিকা পালন করতো। জমি-জিরাত ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বৃটিশরা তাদেরকে কি হিসাবে গড়ে তুলে?
উত্তরঃ জমিদার।
১৫. পতিতাদের নিয়ে প্রথম বৃটিশ আইনে নাম কি? তা কখন প্রবর্তিত হয়?
উত্তরঃ দি বেঙ্গল সাপ্রেশন অব ইমমোরাম ট্রাফিক এ্যাক্ট-যা ১৯৩৩ সালের ২২ জন প্রবর্তিত হয়।
১৬. প্রাচীন কাল থেকে শাস্ত্রীয় আবরণে পতিতারা নানা পর্যায়ে বিদ্যমান ছিল কোন সম্প্রদায়ে?
উত্তরঃ হিন্দু সম্প্রদায়ে।
১৭. জনপ্রিয়তার শীর্ষে এদের অবস্থান, টাকা পয়সার কোন কমতি নেই, প্রগতি আর আধুনিকতার পথ প্রদর্শক ওরা। ওরা কারা?
উত্তরঃ সিনেমায় কর্মরত মহিলা।
১৮. কোন জিনিসটা সিনেমা পাড়ায় ডাল ভাতের মতো?
উত্তরঃ স্বামী বদল, স্ত্রী বদল।
১৯. নারী নির্যাতনের কারণ সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে যা বলা হচ্ছে, মূলতঃ এগুলো রোগের আসল কারণ নয়। তাহলে এগুলো কি?
উত্তরঃ উপসর্গ মাত্র।
২০. দারিদ্র ও অশিক্ষা নারী নির্যাতনের আসল কারণ হলে বৃটেন ও আমেরিকার মতো দেশে কোন ধরণের ঘটনা ঘটতো না।
উত্তরঃ ধর্ষণসহ যৌন অপরাধের  কোন ঘটনা ঘটতো না।
২১. কি কারণে সমাজের এ দূরবস্থা এবং  এসব কিসের বাস্তব ফল?
উত্তরঃ নৈতিকতা ও মূল্যবোধ ধ্বসে পড়ার কারণে।  এসব আল্লাহর বিধান লংঘনের বাস্তব ফল।
২২. নারী সমাজ সহ মানবতার এই দূর্গতির যাবতীয় দায়দায়িত্ব কাদের?
উত্তরঃ যারা আল্লাহর বিধানকে দূরে ঠেলে দিয়ে প্রগতির নামে ফাঁকা বুলি আওড়াচ্ছে। আধুনিকতা আর ফ্যাশনের নামে সমাজে চালু করছে নগ্নতা, উলংগপনা আর বেহায়াপনা।
২৩. জড়বাদী বস্তুবাদী সভ্যতাকে ইংরেজীতে কি বলা হয়?
উত্তরঃ Materialism
২৪. আল্লাহ প্রদত্ত স্বাধীনতা ও স্বায়ত্বশাসন ক্ষমতার অপব্যবহার না করে আল্লাহর বিধান মানা ও কার্যকর করার প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষ কোন মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ আল্লাহর খলিফার মর্যাদায়, আশরাফূল মাখলুকাতের সম্মাণ জনক আসনে।
২৫. কোন দুইটি গুনাবলী থাকলে মানুষ পশুত্ব থেকে রক্ষা পেতে পারে?
উত্তরঃ ১. ঈমান আনবে। ২. নেক আমল করবে।
২৬. কাদেরকে আল্লাহ নিসন্দেহে আগুনে  নিক্ষেপ করবেন?
উত্তরঃ যে সব লোক তার আয়াত সমূহ মানতে অস্বীকার করবে।
২৭. নারী নির্যাতনের কারণ যেমন আল্লাহর বিধানের প্রতি অবজ্ঞা ও অবহেলা। তেমনি এর প্রতিবিধান কি?
উত্তরঃ আল্লাহর আইনের দিকে ফিরে আসা।
২৮. যে বিধান মানব জাতি পেয়েছে বিভিন্ন যুগে নবী-রাসূলের মাধ্যমে। যার পরিসমাপ্তি ঘটেছে কার মাধ্যমে?
উত্তরঃ হযরত মুহাম্মদ সা. এর মাধ্যমে।
২৯. সমস্ত নবী-রাসূলগন স্ব স্ব জাতিকে কি করেছেন?
উত্তরঃ তাদের বড় বড় দোষ-ত্রুটি থেকে বেঁচে থেকে জীবনে সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তি লাভের একটাই মাত্র পথ দেখিয়েছেন।
৩০. শেষ নবী মুহাম্মদ সা. যে সমাজে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যে যুগ কি যুগ নামে পরিচিত।
উত্তরঃ আইয়ামে জাহেলিয়াত।
৩১. দীর্ঘ মেয়াদী সংগ্রামের পাশাপাশি নারী নির্যাতন ও সামাজিক অবক্ষয় রোধ কল্পে কিছু তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নিতে হবে। যা দুই পর্যায়। ১. অনৈতিকতা ও অশ্লীলতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের যাবতীয় উৎসমুখ বন্ধ ও নিয়ন্ত্রন করতে হবে। দ্বিতীয়টি কি?
উত্তরঃ আইন-শৃংখলা প্রয়োগকারী সংস্থা সমূহকে নিষ্ঠার সাথে অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
৩২. ১. পতিতালয় গুলো উচ্ছেদ । ২. দ্বীনি শিক্ষা বাধ্যতা মূলক করা। ৩. নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ। ৪. প্রদর্শণীমূলক সকল ভিসিআর বাজেয়াপ্ত করা। ৫. অশ্লীল পত্রিকা ও সাহিত্য প্রকাশ ও প্রচার বন্ধ করা। ৬. রেডিও টিভি সহ গনশিক্ষার মাধ্যম গুলোকে মানবীয় মূল্যবোধ ও নীতি নৈতিকতা সৃষ্টির কাজে ব্যবহার। ৭. মেয়েদের জন্য পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন। ৮. দরিদ্র বিবাহ যোগ্য মেয়েদের জন্য অনুদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি কাজ  করতে হবে কোন লক্ষ্যে পৌছার জন্য?
উত্তরঃ অনৈতিকতা ও অশ্লীলতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের যাবতীয় উৎসমুখ বন্ধ ও নিয়ন্ত্রন করার জন্য।
৩৩. কুরআনের দৃষ্টিতে নারী বিষয়ে আমাদেরকে যে সব বই পড়তে হবে, তার যে কোন ২টি উল্লেখ করুন।
উত্তরঃ ১. পর্দা ও ইসলাম। ২. স্বামী-স্ত্রীর অধিকার। ৩. ইসলামের দৃষ্টিতে নারী। ৪. পরিবার ও পারিবারিক জীবন।
৩৪. তারা হচ্ছে তোমাদের জন্য পোষাক। আর তোমরা তাদের জন্য কি?
উত্তরঃ পোষাক।
৩৫. নারী ও পুরুষ একে অন্যের কি?
উত্তরঃ পরিপূরক ও অভিন্ন সত্তা।
৩৬. পুরুষের দায়িত্ব কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ৩টি। যথাঃ ১. মোহর। ২. স্ত্রীর খোরপোষ। ৩. যুলুম অত্যাচার থেকে বিরত থাকা।

One thought on “প্রশ্নোত্তরঃ নারী নির্যাতন কারণ ও প্রতিকার”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s