প্রশ্নোত্তরঃ সূরা বাকারাঃ আয়াত ১৪২-২৮৬

১. “এদের কি হয়েছে, প্রথমে এরা যে কিব্‌লার দিকে মুখ করে নামায পড়তো, তা থেকে হাঠৎ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে” এই কথাটা কারা বলবে?
উত্তরঃ নির্বোধ লোকেরা।
২. ওদেরকে বলে দাও, “পূর্ব ও পশ্চিম সবই আল্লাহর ৷ আল্লাহ যাকে চান তাকে সোজা পথ দেখান ৷” প্রশ্ন হচ্ছেঃ কে বলবে, কাদেরকে বলবে?
উত্তরঃ নবী সা. বলবেন, নির্বোধ লোকদের।
৩. হিজরাতের পর নবী সা. কত মাস বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায পড়তে থাকেন?
উত্তরঃ ষোল সতের মাস।
৪. “পূর্ব ও পশ্চিম সবই আল্লাহর ৷ আল্লাহ যাকে চান তাকে সোজা পথ দেখান ৷”-এটা কাদের অভিযোগের কততম জবাব?
উত্তরঃ নির্বোধদের অভিযোগের প্রথম জবাব।
৫. আল্লাহ আমাদেরকে মধ্যমপন্থী উম্মতে পরিণত করেছেন ২টি কারণে। তা কি কি?
উত্তরঃ ১. যাতে আমরা দুনিয়াবাসীর উপর সাক্ষী হতে পারি। ২. রাসূল সা. যাতে আমাদের উপর সাক্ষী হোন।
৬. وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا “আর এভাবেই আমি তোমাদেরকে একটি ‘মধ্যপন্থী’ উম্মাতে পরিণত করেছি”  এখানে وَكَذَٰلِكَ  তথা এভাবেই শব্দদ্বারা দু’দিকে ইংগিত করা হয়েছে। তা কি কি?
উত্তরঃ ১. আল্লাহর পথপ্রদর্শনের দিকে ইংগিত করা হয়েছে৷ যার ফলে মুহাম্মাদ সা. এর অনুগত্যকারীরা সত্য-সরল পথের সন্ধান পেয়েছে এবং তারা উন্নতি করতে করতে এমন একটি মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে যেখানে তাদেরকে ‘মধ্যপন্থী উম্মাত’ গণ্য করা হয়েছে ৷ ২. কিব্‌লাহ পরিবর্তনের দিকেও ইংগিত করা হয়েছে ৷ বাইতুল মাকদিস থেকে কা’বার দিকে মুখ ফিরানোর অর্থ হচ্ছে, মহান আল্লাহ বনী ইসরাঈলকে বিশ্ববাসীর নেতৃত্ব পদ থেকে যথানিয়মে হটিয়ে উম্মাতে মুহাম্মাদীয়াকে সে পদে বসিয়ে দিলেন ৷
৭. ‘মধ্যপন্থী উম্মাত’ শব্দটি অত্যন্ত গভীর ও ব্যাপক তাৎপর্যের অধিকারী ৷ সেই তাৎপর্য কি?
উত্তরঃ এমন একটি উৎকৃষ্ট ও উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন দল, যারা নিজেরা ইনসাফ, ন্যায়-নিষ্ঠা ও ভারসাম্যের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত , দুনিয়ার জাতিদের মধ্যে যারা কেন্দ্রীয় আসন লাভের যোগ্যতা রাখে , সত্য ও সততার ভিত্তিতে সবার সাথে যাদের সম্পর্ক সমান এবং কারোর সাথে যাদের কোন অবৈধ ও অন্যায় সম্পর্ক নেই ৷
৮. “তোমরা লোকদের ওপর সাক্ষী হবে এবং রসূল তোমাদের ওপর সাক্ষী হবেন ৷ ” এ বক্তব্যের অর্থ কি?
উত্তরঃ আখেরাতে যখন হিসেব নেয়া হবে তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে রসূল এ মর্মে সাক্ষ্য দেবেন যে, সুস্থ ও সঠিক চিন্তা এবং সৎকাজ ও সুবিচারের যে শিক্ষা দিয়ে তাঁকে পাঠানো হয়েছিল তা তিনি তোমাদের কাছে হুবহু এবং পুরোপুরি পৌছিয়ে দিয়েছিন আর বাস্তবে সেই অনুযায়ী নিজে কাজ করে দেখিয়ে দিয়েছেন৷ এরপর রসূলের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে সাধারণ মানুষদের ব্যাপারে তোমাদের এই মর্মে সাক্ষ্য দিতে হবে যে, রসূল তোমাদের কাছে যা কিছু কার্যকর করে দেখিয়ে ছিলেন তা তাদের কাছে কার্যকর করে দেখিয়ে ছিলেন তা তাদের কাছে কার্যকর করে দেখাবার ব্যাপার তোমরা মোটেই গড়িমসি করোনি৷
৯. কোন ব্যক্তি বা দলের এ দুনিয়ায় আল্লাহর পক্ষ থেকে সাক্ষ্য দানের দায়িত্বে নিযুক্ত হওয়াটাই মূলত তাকে কোন মর্যাদায় অভিষিক্ত করার নামান্তর?
উত্তরঃ নেতৃত্বের মর্যাদায়।
১০. নেতৃত্বের মর্যাদায় অভিষিক্ত করা একদিকে মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধির প্রশ্ন রয়েছে তেমনি অন্যদিকে  কি রয়েছে?
উত্তরঃ নেতৃত্বের মর্যাদায় অভিষিক্ত করার নামান্তর ৷ এর মধ্যে যেমন একদিকে মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধির প্রশ্ন রয়েছে তেমনি অন্যদিকে রয়েছে দায়িত্বের বিরাট বোঝা ৷
১১. কেবলা পরিবর্তন ইস্যুতে রাসূল সা. এর সাথে রয়ে গেলে নিছক কারা?
উত্তরঃ নিছক আল্লাহর পূজারী যারা।
১২. কিবলা পরিবর্তনের মাধ্যমে দুই ধরণের জাতীয়তাবাদের আলাদা করা হয়েছে, তারা কারা?
উত্তরঃ ১. আরব জাতীয়তাবাদ। ২. ইসরাঈলী জাতীয়তাবাদ।
১৩. কেবলা পরিবর্তন সম্পর্কিত কুরআনের মূল নির্দেশটি কি ছিল?
উত্তরঃ মসজিদুল হারামের দিকে মুখ ফিরাও ৷এখন তোমরা যেখানেই হও না কেন এদিকেই মুখ করে নামায পড়তে থাকো ৷
১৪. কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ কখন এবং কোন নামাযে নাযিল হয়?
উত্তরঃ ২য় হিজরীর রজব বা শাবান মাসে জোহরের নামাযে।
১৫. কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ যখন নাযিল হয়, তখন রাসূল সা. কার ঘরে দাওয়াতের মেহমান ছিলেন?
উত্তরঃ বিশর ইবনে বারাআ ইবনে মা’রুর-এর গৃহে।
১৬. কাবা শরীফ ও বাইতুল মুকাদ্দাসের অবস্থান মদীনা থেকে কোন দিকে?
উত্তরঃ কাবা শরীফ দক্ষিণ দিকে আর বাইতুল মুকাদ্দাস উত্তর দিকে।
১৭. মসজিদে হারাম অর্থ কি?
উত্তরঃ সম্মান ও মর্যাদা সম্পন্ন মসজিদ৷
১৮. ‍”কিবলা সম্পর্কে যত নিশানীই আনা হোক না কেন, ওরা কখনো তোমার কিবলার অনুসারী হবেনা”- এখানে তোমার কিবলা বলতে কোন স্থানকে বুঝানো হয়েছে, আর যারা অনুসারী হবেনা, তারা কারা?
উত্তরঃ কিবলা বলতে মসজিদুল হারাম বুঝানো হয়েছে আর যারা অনুসারী হবেনা তারা আহলে কিতাব।
১৯. কিবলা সম্পর্কিত বিষয় যু্ক্তির মাধ্যমে মিমাংসা করা সম্ভব নয় কেন?
উত্তরঃ কারণ এরা বিদ্বেষ পোষণ ও হঠধর্মিতায় লিপ্ত৷
২০. হযরত ইব্রাহীম আ. কাবাঘর নির্মাণের কত বছর পর বাইতুল মাকদিসের নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং কে তা সম্পন্ন করেন?
উত্তরঃ ১৩শ বছর পর হযরত সুলাইমান আ.
২১. يَعْرِفُونَهُ كَمَا يَعْرِفُونَ أَبْنَاءَهُمْ অর্থ কি?
উত্তরঃ তারা এই স্থানটিকে এমনভাবে চেনে যেমন নিজেদের সন্তানদেরকে চেনে ৷
২২. “কাজেই তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় করো – আর এ জন্য যে, আমি তোমাদের ওপর নিজের অনুগ্রহ পূর্ণ করে দেবো”- এখানে অনুগ্রহ বলতে কি বুঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ নেতৃত্ব।
২৩. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বনী ইসরাঈলদের থেকে কেড়ে নিয়ে এই নেতৃত্ব উম্মাতে মুসলিমাকে দিয়েছেন কিসের মাধ্যমে।
উত্তরঃ কিবলা পরিবর্তনের নির্দেমের মাধ্যমে।
২৪. ঈমানদাররা আল্লাহর সাহায্য চাইবে দুইটি জিনিসের মাধ্যমে। তা কি কি?
উত্তরঃ সবর ও নামায।
২৫. নেতৃত্বের কঠিন দায়িত্বের বোঝা বহন করার জন্য দু’টো আভ্যন্তরীন শক্তির প্রয়োজন ৷ তা কি কি?
উত্তরঃ ১. নিজের মধ্যে সবর, ধৈর্য্য ও সহিষ্ণুতার শক্তির লালন করা। ২. নামায পড়ার মাধ্যমে নিজেকে শক্তিশালী করা।
২৬. বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক গুণাবলীর সামগ্রিক রূপ হিসেবে কোন জিনিসকে চিহ্নিত করা হয়েছে?
উত্তরঃ সবরকে।
২৭. কোন জিনিস সমস্ত সাফল্যের চাবিকাঠি?
উত্তরঃ সবর।
২৮. একটি শব্দ এবং এর ধারণা মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করে ৷ শব্দটি কি?
উত্তরঃ মৃত্যু।
২৯. দুইটি বস্তু আল্লাহর নিশানী সমূহের অন্তর্ভূক্ত। তা কি কি?
উত্তরঃ সাফা ও মারওয়া।
৩০. যিলহজ্জ মাসের নির্ধারিত তারিখে কা’বা শরীফ যিয়ারত করাকে কি বলে?
উত্তরঃ হজ্জ।
৩১. যিলহজ্জ মাসের নির্ধারিত তারিখ ছাড়া অন্যান্য সময়ে কা’বা শরীফ যিয়ারত করাকে কি বলে?
উত্তরঃ উমরাহ।
৩২. সাঈ অর্থ কি?
উত্তরঃ দৌড়ানো।
৩৩. মসজিদুল হারাম এর নিকটবর্তী দুইটি প্রসিদ্ধ পাহাড়ের নাম কি?
উত্তরঃ সাফা ও মারওয়া।
৩৪. মক্কায় ও তার আশপাশের এলাকায় মুশরিকী জাহেলীয়াত তথা পৌত্তলিক ধর্ম ছড়িয়ে পড়লে সাফার ওপর একটি ও মারওয়ার ওপর আরেকটি মূর্তির পূজাবেদী নির্মাণ করা হয় ৷ কোন পাহাড়ে কোন নামীয় মূর্তি নির্মাণ করা হয়?
উত্তরঃ সাফার ওপর ‘আসাফ’ ও মারওয়ার ওপর ‘নায়েলা’৷
৩৫. কাবা ঘরের এলাকায় ছিল আসাফ ও নায়েলা দূ’টি মূর্তি। যে দূ’টি মূর্তিকে মদীনাবাসী মানতো না। তারা ছিল ভিন্ন আরেকটি মূর্তির ভক্ত। সেই মূর্তিটির নাম কি?
উত্তরঃ মানাত।
৩৬. কাদের উপর আল্লাহ, তার ফেরেশতা এবং সমগ্র মানবতার লানত?
উত্তরঃ যারা কুফরীর নীতি অবলম্বন করেছে এবং কুফরীর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে।
৩৭. ঈমান অর্থ মেনে নেয়া, কবুল করা, স্বীকার করা। এর বিপরীতে কুফুর শব্দের অর্থ কি?
উত্তরঃ এর বিপরীতে ‘কুফর’- এর অর্থ না মানা , প্রত্যাখ্যান করা, অস্বীকার করা ৷
৩৮. কুরআনের বর্ণনার প্রেক্ষিতে কুফরীর মনোভাব ও আচরণ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে ৷ যা তাফহীমূল কুরআনে ৬টি ভাগে আলোচনা করা হয়েছে। যে কোন ২টি বলুন।
উত্তরঃ
১. আল্লাহকে একেবারেই না মানা ৷ অথবা তাঁর সার্বভৌম কতৃত্ব ও ক্ষমতা স্বীকার না করা এবং তাঁকে নিজের ও সমগ্র বিশ্ব-জাহানের মালিক ও মাবুদ বলে না মানা ৷
২. আল্লাহকে মেনে নেয়া কিন্তু তাঁর বিধান ও হিদায়াতসমূহকে জ্ঞান ও আইনের একমাত্র উৎস হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার করা ৷
৩. নীতিগতভাবে একথা মেনে নেয়া যে, তাকে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী চলতে হবে কিন্তু আল্লাহ তাঁর বিধান ও বাণীসমূহ যেসব নবী-রসূলের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন তাদেরকে অস্বীকার করা ৷
৪. নবীদের মধ্যে পার্থক্য করা এবং নিজের পছন্দ ও মানসিক প্রবণতা বা গোত্রীয় ও দলীয়প্রীতির কারণে তাদের মধ্য থেকে কাউকে মেনে নেয়া এবং কাউকে না মানা ৷
৫. নবী ও রসূলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে আকীদা-বিশ্বাস , নৈতিক চরিত্র ও জীবন যাপনের বিধান সম্বলিত যেসব শিক্ষা বিবৃত করেছেন সেগুলো অথবা সেগুলোর কোন কোনটি গ্রহণ করা ৷
৬. এসব কিছুকে মতবাদ হিসেবে মেনে নেয়ার পর কার্যত জেনে বুঝে আল্লাহর বিধানের নাফরমানী করা এবং এই নাফরমানীর ওপর জোর দিতে থাকা ৷ আর এই সংগে দুনিয়ার জীবনে আনুগত্যের পরিবর্তে নাফরমানীর ওপর নিজের কর্মনীতির ভিত্তি স্থাপন করা ৷
৩৯. “যারা কুফরীর নীতি অবলম্বন করেছে এবং কুফরীর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তাদের ওপর আল্লাহর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবতার লানত ” এই লানত পাওয়ার আরো রয়েছে ৩টি অবস্থা। তা কি কি?
উত্তরঃ ১. এই লানত বিদ্ধ অবস্থায় তারা চিরকাল অবস্থান করবে। ২. তাদের শাস্তি হ্রাস পাবে না। ৩. তাদের অন্য কোন অবকাশও দেয়া হবে না ৷
৪০. وَإِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ لَّا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ – এ আয়াতটি বাংলা তরজমা কি?
উত্তরঃ তোমাদের আল্লাহ এক ও একক ৷ সেই দয়াবান ও করুণাময় আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই ৷
৪১. ‍”এই সত্যটি চিহ্নিত করার জন্য যদি কোন নিদর্শন বা আলামতের প্রয়োজন হয়” – সত্যটা কি?
উত্তরঃ তোমাদের আল্লাহ এক ও একক ৷ সেই দয়াবান ও করুণাময় আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই ৷
৪২. যারা বুদ্ধি-বিবেক ব্যবহার করে তাদের জন্য আকাশ ও পৃথিবীর ঘটনাকৃতিতে, রাত্রদিনের অনবরত আবর্তনে, মানুষের প্রয়োজনীয় ও উপকারী সামগ্রী নিয়ে সাগর দরিয়ার চলমান জলযানসমূহে , বৃষ্টিধারার মধ্যে, যা আল্লাহ বর্ষণ করেন ওপর থেকে তারপর তার মাধ্যমে মৃত ভূমিকে জীবন দান করেন এবং নিজের এই ব্যবস্থাপনার বদৌলতে পৃথিবীতে সব রকমের প্রাণী ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেন, আর বায়ু প্রবাহে এবং আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানে নিয়ন্ত্রিত মেঘমালায় কি আছে?
উত্তরঃ অসংখ্যা নিদর্শন।
৪৩. মাওলানা মওদূদী সূরা বাকারার তাফসীর করতে গিয়ে একটা বিষয়ের ব্যাখ্যায় বলেছেনঃ এটা ঈমানের দাবী। প্রশ্ন হচ্ছে, কোন কাজটি ঈমানের দাবী।
উত্তরঃ ঈমানদাররা সবচেয়ে বেশী আল্লাহকে ভালোবাসে-এই ভালবাসার কাজটি।
৪৪. আল্লাহ যখন শাস্তি দেবেন, তখন দুনিয়ায় যাদের অনুসরণ করা হতো সেই সকল নেতা কি করবে?
উত্তরঃ তারা তাদের অনুগামীদের সাথে সম্পর্কহীনতা প্রকাশ করতে থাকবে।
৪৫. শয়তান মানুষদেরকে অসৎকাজ ও অনাচারের নির্দেশ দেয়। সাথে সাথে এক ধরণের কথা বলতে শিখায়। ঐ কথাগুলো কোন ধরণের কথা?
উত্তরঃ সে বলেঃ তোমরা আল্লাহর নামে এমন সব কথা বলো যেগুলো আল্লাহ বলেছেন বলে তোমাদের জানা নেই ৷
৪৬. আল্লাহ তায়ালা মানব জাতিকে উদ্দেশ্য করে পৃথিবীতে যে সমস্ত হালাল ও পাক জিনিস রয়েছে তা খাওয়ার নির্দেশ প্রদান করছেন। সাথে  একটা জিনিস না করারও নির্দেশ দিচ্ছেন, সেই জিনিসটা কি
উত্তরঃ শয়তানের দেখানো পথে চলো না।
৪৭. শয়তানের দেখানো পথে চলো না- এর অর্থ কি?
উত্তরঃ পানাহারের ক্ষেত্রে কুসংস্কার ও জাহেলী রীতিনীতির ভিত্তিতে যেসব বিধি-নিষেধের প্রচলন রয়েছে সেগুলো ভেঙে ফেলো ৷
৪৮. কুরআনের নির্দেশ হচ্ছে, শয়তানের দেখানো পথে চলো না। কিন্তু কেন আমরা শয়তানের দেখানো পথে চলবো না?
উত্তরঃ কারণ সে আমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
৪৯. শয়তান আমাদেরকে অসৎকাজ ও অনাচারের নির্দেশ দেয় আর  একটি কথাও শেখায়। সে কথাটি কি?
উত্তরঃ তোমরা আল্লাহর নামে এমন সব কথা বলো যেগুলো আল্লাহ বলেছেন বলে তোমাদের জানা নেই ৷
৫০. “তোমরা আল্লাহর নামে এমন সব কথা বলো যেগুলো আল্লাহ বলেছেন বলে তোমাদের জানা নেই” এই কথা গুলো কি কি?
উত্তরঃ এই সমস্ত কুসংস্কার ও তথাকথিত বিধি-নিষেধেকে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত ধর্মীয় বিষয়বলী মনে করা আসলে শয়তানী প্ররোচনা ছাড়া আর কিছুই নয় ৷ কারণ এগুলো যে আল্লাহর পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছে, এ ধারণার পেছনে কোন প্রমাণ নেই ৷
৫১. “আল্লাহ যে বিধান নাযিল করেছেন তা মেনে চলো” এই নসিহত যখন করা হয়, তখন তার জবাবে ওরা কি বলে?
উত্তরঃ ওরা বলেঃ আমাদের বাপ-দাদাদের যে পথের অনুসারী পেয়েছি আমরা তো সে পথে চলবো৷
৫২. “আমাদের বাপ-দাদাদের যে পথের অনুসারী পেয়েছি আমরা তো সে পথে চলবো৷”-বাপ-দাদাদের থেকে এভাবেই চলে আসছে বলে যুক্তি প্রদান কে তাফহীমূল কুরআনে কোন ধরণের যুক্তি বলে আখ্যা দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ খোঁড়া যুক্তি।
৫৩. “আল্লাহ প্রদর্শিত পথে চলতে যারা অস্বীকার করেছে তাদের অবস্থা ঠিক তেমনি যেমন রাখাল তার পশুদের ডাকতে থাকে কিন্তু হাঁক ডাকের আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই তাদের কানে পৌছে না ৷” এই উপমাটির দু’টি দিক রয়েছে ৷ এক, তাদের অবস্থা সেই নির্বোধ প্রাণীদের মতো, যারা এক একটি পালে বিভক্ত হয়ে নিজেদের রাখালদের পেছনে চলতে থাকে এবং না জেনে বুঝেই তাদের হাঁক-ডাকের ওপর চলতে ফিরতে থাকে৷  দ্বিতীয় দিকটি কি?
উত্তরঃ তাদেরকে আহবান করার ও তাদের কাছে দীনের দাওয়াত প্রচারের সময় মনে হতে থাকে যেন নির্বোধ জন্তু-জানোয়ারদেরকে আহবান জানানো হচ্ছে, তারা কেবল আওয়াজ শুনতে পারে কিন্তু কি বলা হচ্ছে তা কিছুই বুঝতে পারে না ৷
৫৪. তাফহীমূল কুরআনে একটি আয়াতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছেঃ “আল্লাহ এখানে এমন দ্ব্যর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করেছেন, যার ফরে এই দু’টি দিকই এখানে একই সাথে ফুটে উঠেছে ৷ ” এটি কুরআনের কোন আয়াত এবং পুরো আয়াতের অনুবাদ কি?
উত্তরঃ কুরআনের সূরা বাকারা, আয়াত নম্বরঃ ১৭১। অনুবাদ হচ্ছেঃ আল্লাহ প্রদর্শিত পথে চলতে যারা অস্বীকার করেছে তাদের অবস্থা ঠিক তেমনি যেমন রাখাল তার পশুদের ডাকতে থাকে কিন্তু হাঁক ডাকের আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই তাদের কানে পৌছে না ৷ তারা কালা , বোবা ও অন্ধ, তাই কিছুই বুঝতে পারে না।
৫৫. ঈমানদারদের উদ্দেশ্য করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলছেনঃ যদি তোমরা যথার্থই আল্লাহর ইবাদাতকারী হয়ে থাকো, তাহলে যে সমস্ত পাক-পবিত্র জিনিস আমি তোমাদের দিয়েছি সেগুলো নিশ্চিন্তে খাও” সাথে আরো একটি কাজ করতে বলা হয়েছে, তা কি?
উত্তরঃ আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।
৫৬.  নামায পড়া ও কিব্‌লাহর দিকে মুখ করা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি ততক্ষণ ইসলামে পুরোপুরি প্রবেশ করতে পারে না যতক্ষণ না সে কি করবে?
উত্তরঃ যতক্ষণ না সে পানাহারের ব্যাপারে অতীতের জাহেলী যুগের বিধি-নিষেধগুলো ভেংগে ফেলে এবং জাহেলিয়াত পন্থীরা এ ব্যাপারে যে সমস্ত কুসংস্কারে নিমজ্জিত ছিল সেগুলো থেকে মুক্ত হয় ৷
৫৭. প্রানী, শস্য, ফলমূল বা অন্য যে কোন খাদ্য ইত্যাদির উপর অনুগ্রহের স্বীকৃতি , সাদকাহ বা নজরানা হিসেবে একমাত্র আল্লাহই নাম নেয়া যেতে পারে ৷ আর কারোর নয় ৷ কিন্তু কেন বা কারণ কি?
উত্তরঃ কারণ, খাদ্যের মালিক হচ্ছেন আল্লাহ ৷ তিনিই ঐ জিনিসগুলো আমাদের দান করেছেন ৷ 
৫৮. প্রানী, শস্য, ফলমূল বা অন্য যে কোন খাদ্য ইত্যাদির উপর অনুগ্রহের স্বীকৃতি , সাদকাহ বা নজরানা হিসেবে একমাত্র আল্লাহই নাম নেয়ার পরিবর্তে আর কারোর নাম নেয়ার অর্থ কি? 
উত্তরঃ আর কারোর নাম নেয়ার অর্থ হবে, আল্লাহ পরিবর্তে অথবা আল্লাহর সাথে সাথে তার প্রাধান্যও স্বীকার করে নেয়া হচ্ছে এবং তাকেও অনুগ্রহকারী ও নিয়ামত দানকারী মনে করা হচ্ছে ৷
৫৯. আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমাদের ওপর যদি কোন নিষেধাজ্ঞা ৩টি বিষয়ে। ১. মৃতদেহ খেয়ো না। ২. রক্ত ও শূকরের গোশত থেকে দূরে থাকো। তৃতীয়টি কি?
উত্তরঃ এমন কোন জিনিস খেয়ো না যার ওপর আল্লাহ ছাড়া আর কারোর নাম নেয়া হয়েছে।
৬০. কুরআনে তিনটি শর্ত সাপেক্ষে হারাম জিনিসের ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে। তা কি কি?
উত্তরঃ ১. যথার্থ অক্ষমতার মুখোমুখি হলে। ২. মনের মধ্যে আল্লাহর আইন ভংগ করার ইচ্ছা পোষণ না করলে।  ৩. প্রয়োজনের সীমা অতিক্রম না করলে। 
৬১. আল্লাহর কিতাবের বিধানের উপর আবরণ পড়ে থাকাটাই নিজেদের জন্য লাভজনক বলে তাদের অনেকেই মনে করেছে-তারা কারা?
উত্তরঃ সেই আলেম সমাজ,যাদের কাছে আল্লাহর কিতাবের জ্ঞান ছিল কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছায়নি৷
৬২. সাধারণ লোকদের মধ্যে যত প্রকার বিভ্রান্তিরকর কুসংস্কার প্রচলিত আছে এবং বাতিল রীতিনীতি ও অর্থহীন বিধি-নিষেধের যেসব নতুন নতুন শরীয়াত তৈরী হয়ে গেছে- এসবগুলোর জন্য দায়ী কারা?
উত্তরঃ সেই আলেম সমাজ,যাদের কাছে আল্লাহর কিতাবের জ্ঞান ছিল কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছায়নি৷
৬৩. কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথাই বলবেন না, তাদের পত্রিতার ঘোষণাও দেবেন না-তারা কারা?
উত্তরঃ সেই আলেম সমাজ,যাদের কাছে আল্লাহর কিতাবের জ্ঞান ছিল কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছায়নি৷
৬৪. সূরা বাকারার ১৭৪ নম্বর আয়াতের শেষে বলা হয়েছেঃ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। প্রশ্ন হচ্ছে, কাদের জন্য এ শাস্তি?
উত্তরঃ সেই আলেম সমাজ,যাদের কাছে আল্লাহর কিতাবের জ্ঞান ছিল কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের কাছে তা পৌঁছায়নি৷
৬৫. তোমাদের মুখ পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে ফিরাবার মধ্যে কোন পুণ্য নেই- এর দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ পূর্ব ও পশ্চিমের দিকে মুখ করার বিষয়টিকে নিছক উপমা হিসেবে আনা হয়েছে৷ আসলে এখানে যে কথাটি বুঝানো হয়েছে সেটি হচ্ছে, ধর্মের কতিপয় বাহ্যিক অনুষ্ঠান পালন করা, শধুমাত্র নিয়ম পালনের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত কয়েকটা ধর্মীয় কাজ করা এবং তাকওয়ার কয়েকটা পরিচিত রূপের প্রদর্শনী করা আসল সৎকাজ নয় এবং আল্লাহর কাছে এর কোন গুরুত্ব ও মূল্য নেই৷ 
৬৬. হত্যার ব্যাপারে কিসের বিধান লিখে দেয়া হয়েছে?
উত্তরঃ কিসাসের বিধান।
৬৭. কিসাস কি?
উত্তরঃ ‘কিসাস’ হচ্ছে রক্তপাতের বদলা বা প্রতিশোধ৷ অর্থাৎ হত্যাকারীর সাথে এমন ব্যবহার করা যেমন সে নিহত ব্যক্তির সাথে করেছে৷ কিন্তু এর অর্থ এ নয় যে, হত্যাকারী যেভাবে নিহত ব্যক্তিকে হত্যা করেছে ঠিক সেভাবে তাকেও হত্যা করতে হবে৷ বরং এর অর্থ হচ্ছে, সে একজনকে হত্যা করেছে, তাকেও হত্যা করা হবে৷ 
৬৮. জাহেলী যুগের হত্যার বদলা নেয়ার  কোন পদ্ধতির প্রচলন ছিল কি না?
উত্তরঃ ছিল।
৬৯. বিশ শতকের একটি ‘সুসভ্য’ জাতি নিজেদের এক ব্যক্তির হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছে সমগ্র জাতির ওপর৷ ওরা কোন জাতি ছিল?
উত্তরঃ মিসরীয়।
৭০. ”মা’রুফ” শব্দের অর্থ কি?
উত্তরঃ এমন একটি সঠিক কর্মপদ্ধতি যার সাথে সাধারণত সবাই সুপরিচিত৷ 
৭১. Common Law কে ইসলামী পরিভাষায় কি বলা হয়?
উত্তরঃ ”উর্‌ফ” ও ”মা’রু‌ফ”।
৭২. فَمَنِ اعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ এরপরও যে ব্যক্তি বাড়াবাড়ি করবে। এখানে কোন কোন কাজকে বাড়াবাড়ী বলা হয়েছে?
উত্তরঃ ১. হত্যাকারীর উত্তরাধিকারীরা রক্তপণ আদায় করার পরও আবার প্রতিশোধ নেয়ার প্রচেষ্টা। ২. হ্ত্যাকারী রক্তপণ আদায় করার ব্যাপারে টালবাহানা করে। ৩. নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিদাকারীরা তার প্রতি যে উদারতা প্রর্দশণ করে নিজের অকৃতজ্ঞ ব্যবহারের মাধ্যমে তার জবাব দেয়৷
৭২. এটি দ্বিতীয় একটি জাহেলী চিন্তা ও কর্মের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ প্রতিবাদ৷ প্রতিবাদ কি?  কুরআনের ভাষায় তার জবাব দিন অথবা কুরআনের ভাষার বাংলা অনুবাদ করুন।
উত্তরঃ وَلَكُمْ فِي الْقِصَاصِ حَيَاةٌ তোমাদের জন্য কিসাসের মধ্যে জীবন রয়েছে ৷
৭৩. নবী সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওসীয়ত ও মীরাসের বিধান ব্যাখ্যা প্রংগে দু’টি নিয়ম ব্যক্ত করেন। তা কি কি?
উত্তরঃ ১. এখন থেকে ওয়ারিসের জন্য কোন ব্যক্তি আর কোন অসিয়ত করতে পারবে না৷ ২. সমগ্র সম্পদ ও সম্পত্তির মাত্র তিন ভাগে এক ভাগ অসিয়ত করা যেতে পারে৷
৭৪. কুরআন মজীদে অসিয়তকে কি নামে গন্য করা হয়েছে?
উত্তরঃ ‘হক’- অধিকার গণ্য করা হয়েছে৷
৭৫. রোযা রাখার মাধ্যমে ঈমানদারদের মাঝে কিসের গুনাবলী সৃষ্টি হবে?
উত্তরঃ তাকওয়ার গুনাবলী।
৭৬. একটি রোযার ফিদিয়া কি?
উত্তরঃ একটি রোযার ফিদিয়া একজন মিসকিনকে খাওয়ানো৷
৭৭. যদি তোমাদের কেউ হয়ে থাকে রোগগ্রস্ত অথবা মুসাফির তাহলে সে যেন অন্য দিনগুলোয় এই সংখ্যা পূর্ণ করে ৷- কিসের সংখ্যা পূর্ণ করবে?
উত্তরঃ না রাখা রোযার সংখ্যা।
৭৮. আর যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় ও সানন্দে কিছু বেশী সৎকাজ করে , তা তার জন্য ভালো ৷- কোন কাজটা ভাল বলা হয়েছে?
উত্তরঃ একাধিক মিসকিনকে আহার করায় অথবা রোযাও রাখে আবার মিসকিনকেও আহার করায়৷

৭৯. দ্বিতীয় হিজরীতে বদর যুদ্ধের আগে রমযানের রোযা সম্পর্কে প্রাথমিক যে বিধান নাযিল হয়েছিল, রোযা সম্পর্কিত পরবর্তী বিধান কতদিন পর নাযিল হয়?

উত্তরঃ এক বছর পর।

৮০. মযানের মাস, এ মাসেই কুরআন নাযিল করা হয়েছে-এর পর কুরআন সম্পর্কে বর্ণনা প্রদান শুরু হয়েছে এভাবেঃ যা মানব জাতির জন্য পুরোপুরি হিদায়াত। এর পর আর কি বলা হয়েছে কুরআন সম্পর্কে?

উত্তরঃ এমন দ্ব্যর্থহীন শিক্ষা সম্বলিত, যা সত্য –সঠিক পথ দেখায় এবং হক ও বাতিলের পার্থক্য সুস্পষ্ট করে দেয় ৷

৮১. মযানের মাস, এ মাসেই কুরআন নাযিল করা হয়েছে-এর পর কুরআন সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছেঃ এবং এমন দ্ব্যর্থহীন শিক্ষা সম্বলিত, যা সত্য –সঠিক পথ দেখায় এবং হক ও বাতিলের পার্থক্য সুস্পষ্ট করে দেয় ৷  ঠিক এর আগে কুরআন সম্পর্কে কি কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ যা মানব জাতির জন্য পুরোপুরি হিদায়াত।

৮২. কোন অবস্থায় রোযা না রাখা ব্যক্তির ইচ্ছা ও পছন্দের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে?

উত্তরঃ সফররত অবস্থায়।

৮৩. সাহাবীদের কেউ রোযা রাখতেন আবার কেউ রাখতেন না৷ উভয় দলের কেউ পরস্পরের বিরুদ্ধে আপত্তি উঠাতেন না৷  এই অবস্থা কখন হতো?

উত্তরঃ যখন সাহাবীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সফরে যেতেন৷

টীকা ১৮৬

2 thoughts on “প্রশ্নোত্তরঃ সূরা বাকারাঃ আয়াত ১৪২-২৮৬”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s