দাওয়াত সম্প্রসারণ ও সাংগঠনিক মজবুতি অর্জনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার

তথ্য প্রযুক্তিমালেশিয়ার প্রাক্তণ প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদ বলেছেন, আমরা ইন্টারনেটের মোকাবিলা করতে পারি ইন্টারনেটের সাহায্যে। কম্পিউটারের মোকাবেলায় কাম্পিউটার এবং কলমের মোকাবেলা করতে পারি কলমের সাহায্যে। আমরা উটের পিঠে চড়ে ল্যান্ডক্রুজারের সাথে প্রতিযোগিতায় জয়ী হতে পারিনা।

ইসলামের শত্রুদের সব সময় ভীত সন্ত্রস্ত রাখার উদ্দেশ্যে সামর্থ অনুযায়ী সবাধিক পরিমাণের শক্তি অর্জন করে রাখার প্রতি কুরআনে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কুরআনের সূরা আনফালের ৬০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছেঃ

﴿ وَأَعِدُّوْا لَهُمْ مَّا اسْتَطَعْتُمْ مِّنْ قُوَّةٍ وَمِنْ رِّبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُونَ بِهِ عَدْوَّ اللّٰهِ وَعَدُوَّكُمْ وَآخَرِيْنَ مِنْ دُونِهِمْ لاَ تَعْلَمُوْنَهُمُ اللّٰهُ يَعْلَمُهُمْ ﴾

“আর তোমরা নিজেদের সামর্থ অনুযাযী সর্বাধিক পরিমাণ শক্তি ও সদাপ্রস্তুত ঘোড়া তাদের মোকাবিলার জন্য যোগাড় করে রাখো। এর মাধ্যমে তোমরা ভীত সন্ত্রস্ত করবে আল্লাহর শত্রুকে, নিজের শত্রুকে এবং অন্য এমন সব শত্রুকে যাদেরকে তোমরা চিন না। কিন্তু আল্লাহ চেনেন।”

একটি ব্যাপার অনবদ্য ও চিরন্তন যে, মানুষের তৎপরতা যত বৃদ্ধি পায়-যত ব্যাপকতা অর্জন করে, শয়তানের হস্তক্ষেপও তত বৃদ্ধি ও ব্যাপক হয়। মানুষ তার চিন্তা চেতনা আর প্রযুক্তির দিক দিয়ে যতই আপগ্রেড ও আপডেট হয়, শয়তানও তার সৈন্যরা মানুষকে মোকাবেলার উদ্দেশ্যে তাদের কৌশল ও প্রযুক্তি তেমনি আপগ্রেড ও আপডেট করে থাকে। কারণ শয়তান মানুষের আজন্মা শত্রু। 

মানুষ সৃষ্টির সুচনাতেই শয়তান মানুষদেরকে বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট করার চ্যালেঞ্জ কাঁধে তুলে নিয়েছে। আর এই চ্যালেঞ্জ ছিলো কুরআনের ভাষায়ঃ

﴿ ثُمَّ لآتِيَنَّهُمْ مِّنْ بَيْنِ أَيْدِيْهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ وَعَنْ أَيْمَانِهِمْ وَعَنْ شَمَآئِلِهِمْ وَلاَ تَجِدُ أَكْثَرَهُمْ شَاكِرِينَ ﴾

“তাদের সামনে থেকে, পিছন থেকে, ডানে থেকে এবং বামে থেকে সব দিক থেকে আক্রমণ করবো এবং তাদের অধিকাংশকে তুমি শোকর গুজার হিসাবে পাবেনা।” (আরাফঃ ১৭)

উপরোক্ত চ্যালেঞ্জ প্রদানকারী রিটায়ার্ডম্যান্টে যায়নি-অবসর গ্রহণ করেনি। বিধায় সে বসে নাই। সে মানুষকে বিভ্রান্ত আর পথহারা করার উদ্দেশ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করছে। মানুষকে সিরাতাল মুস্তাকিম হতে সরিয়ে নেয়ার চ্যালেজ্ঞ বাস্তবায়নে সে সদা সর্বদা তৎপর। 

তথ্য প্রযুক্তির উন্নতি আর অগ্রগতির কিছু উদাহরণঃ

ক. আমাদের মতো অঁজো পাড়া গায়ে যাদের বাস, তারা দেখেছেন যে, যখন কোন বাড়ীতে একটা পুকুর করতে হতো, তখন ৫০/৬০জন লোক মাস জুড়ে কাজ করতো। আর এখন একটি পুকুর খননের জন্য পকলিন নামক একটা যন্ত্রে মাত্র ২দিনই যথেষ্ট। আর সেখানে মানুষ লাগবে সর্বোচ্চ ১জন।

খ. আমাদের দেশের রেংস ভবন যখন ভাংগা হলো, তখন আমরা দেখলাম কয়েক লক্ষ টাকা বাজেট নিয়ে হাজার হাজার শ্রমিক দিয়ে কয়েক মাসে তা সম্পন্ন হলো। অপর দিকে সাম্প্রতিক সময়ে একই উচ্চতার ‘রানা প্লাজা’ ভাংগতে ক’দিন লেগেছে, তা ব্লগের দুনিয়ায় বিচরণকারীদের ভূলে যাওয়ার কথা নয়। এই মূহুর্তে যদি আমরা ‘রাজ্জাক প্লাজা’ কে ভাংগতে চাই, তাহলে এতো সাজগোজ আর আয়োজনের দরকার নাই। কেবলমাত্র লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে একটি বোমার বিস্ফোরণ। মাত্র ১মিনিটে কেল্লা ফতেহ।

গ. ১৯৮৫ সালের কথা।প্রবেশিকা পরীক্ষার রেজাল্ট পেয়েছেন ফল প্রকাশের মাত্র ৮দিন পরে পুরাতন পত্রিকার পাতা থেকে। আর এখন রেজাল্ড ওয়েভ সাইটে, মোবাইল ম্যাসেজে, স্কুলের নোটিশ বোর্ডে-যখন তখন।

ঘ. মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী একজন প্রবাসী হিসাবে পুরাতন প্রবাসীদের মুখে গল্প শুনেছি। দেশে ফোন করতে ১০/১২ মাইল দূর থেকে আসতে হতো দোহা সিটির কিউটেল (বর্তমানে উরিদু) এর মারকাজে। ১মিনিট কথা বলতে লাগতো মাত্র ৮রিয়াল। লাইন পেতে সময় যেতো ৫/৭ ঘন্টা। এর পর কথা শুনা যেতো না। আর আমরা যখন প্রবাসী হই, তখন দেশের টেলিফোন করেছি ৪.৮০ রিয়াল রেটে। এখন আর সাধারণ টেলিফোন থেকে কেউ দেশে টেলিফোন করেননা। মোবাইলের বিল মিনিট ০.১৯ রিয়াল আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে করলে ১ রিয়ালে মাত্র ১২ মিনিট কথা বলা যায়। একটু লেখাপড়া জানা প্রবাসী দেশের বাড়ীতে কম্পিউটার রেখেছেন আর এখানে কম্পিটার থেকে স্কাইপি সংলাপ চালান। বলা আর দেখার কর্মটা হয় একই সাথে মনে মাধুরী মিশিয়ে।

ঙ. মনে পড়ে ১৯৯৯ সালের কথা। প্রবাসে এসে চিঠি লিখলাম অনেককে। চিঠি লিখার পর থেকে পোষ্ট বক্স তালাশের ডিউটি করলাম মাত্র ২৯ দিন। এর পর পেলাম প্রিয়-এর চিঠি। মাত্র ১৬ পৃষ্ঠার চিঠি প্রবাসের কোন এক দেশে আদান প্রদানে সময় গেলো মাত্র ১মাস। আর এখন আমার রুম পার্টনার-এর মেয়ের জন্মের খবর পেলাম সকাল ১১টায় আর ফেইস বুকে তার ছবি দেখলাম সন্ধ্যা বেলা।

একজন দাদার গল্পঃ

দাদার বাড়ী সিলেটের বড়লেখা উপজেলার কোন এক গ্রামে। দাদার সময়ের কথা। তখন কোট কাচারী ছিল ভারতের করিমগঞ্জে। দাদা আমার পাকা মামলাবাজ। যাবেন করিম গঞ্জে মামালা কাজে। দাদী দুপুরের খাবারটা সুপারী গাছের কুলে সুন্দর করে সাজিয়ে দিয়েছেন। দাদা তা কোমরে শক্ত করে বেঁধে নিলেন। গায়ে সুন্দর জামা। সরি, গায়ে নয়-কাঁধে। করিমগঞ্জ ২০/২২ কিলোমিটার পায়ে হাঁটার পথ। তাই কাপড় নষ্ট হয়ে যাবে বলে গায়ে না দিয়ে কাঁধ রাখলেন দাদা। ভাবলেন শহরের কাছে গিয়ে পরে নেবেন। এতে করে কাপড়ও সুন্দর থাকবে আর গরমও কম লাগবে।

দাদা আমার শহরে পৌছলেন। কোর্টে হাজিরা দিলেন। দাদীর দেয়া টিফিন গাছ তলায় বসে আরাম করে খেয়ে সাথে নেয়া পানের বাটা থেকে পানও খেলেন। দাদীর প্রেমে বুদ হয়ে দ্রুত পা বাড়ালেন বাড়ীর দিকে। বাড়ীতে পৌছে যখন শরীর থেকে জামা খুলতে যাবেন, তখন দেখেন জামাতো পরাই হয়নি। বাড়ী থেকে যাওয়ার সময় জামা যে, কাঁধে নিয়ে ছিলেন, জামা সেই কাঁধেই পড়ে আছে। কোট কাচারী শহর ভ্রমন সব সম্পন্ন হয়েছে সেই জামা কাঁধে নিয়ে।কিন্তু প্রশ্ন হলো সেই যুগ কি এখন আছে? নাহ! সেই যুগ বদলে গেছে। এখন দিন বদলের যুগ। এখন ডিজিটাল যুগ। এখন নাতিদের যুগ। কবি এখনকার যুগকে বলেছেন কবিতার মতো করেঃ

“আমরা যখন আকাশের তলে ওড়ায়েছি শুধু ঘুড়ি,

তোমরা এখন কলের জাহাজ চালাও গগন জুড়ি।”

এই যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে রাশভারী আলোচনা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। আধা শিক্ষিত মানুষ হিসাবে আমরা আলোচনা করবো তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে সাধারণ কিছু প্রেকটিক্যাল কথা। আর তাত্তিক ও থিয়োরীক্যাল আলোচনা করবেন তারা, যারা পূর্ণ শিক্ষিত মানুষ।

তথ্য প্রযুক্তি। যাকে কেউ কেউ বলি ইনফরমেশন টেকনলজি। আর পূর্ণ শিক্ষিত জন বলেন আইটি। আর তা এমন সব উপাদানের নাম, যার মাধ্যমে কাজকে সাধারণের চেয়ে অনেক বেশী উচ্চতায় এবং গতিশীলতার সাথে কম সময়ে, কম খরচে এবং কম পারিশ্রমিকে সম্পন্ন করা যায়।

আলোচনা মোড় পরিবর্তনের ঘোষনাঃ

এ পর্য্যায়ে আমাদের আলোচনা মোড় নেবে সরাসরি ইসলামী আন্দোলনের কাজের দিকে। তাই যারা আন ইজি ফিল করবেন, তারা প্রস্থান করতে পারেন এই মূহুর্তে। কিন্তু যারা নিজেদেরকে সত্য আর সুন্দরের বিকাশের আন্দোলনে শামীল করেছেন, যারা স্রষ্টার পথের দিকে মানুষকে আহবান করে শয়তানের সকল চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় স্রষ্টার দেয়া বিধানই সর্বশ্রেষ্ট প্রমানের মিশন চালিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকে অত্যন্ত ধৈর্য্য ধারণ করে অবস্থানের অনুরোধ করবো, যাতে আমার লিখাটা পুরোটাই আপনার পড়া হয়ে যায়। 

আলোচনা মাত্র ২টি বিষয় নিয়েঃ

১. মোবাইল। 

২. কম্পিউটার ও ইন্টারনেট।

মোবাইলঃ দাওয়াত সম্প্রসারণ ও সাংগঠনিক মজবুতি অর্জনে আমরা মোবাইলকে কি কি কাজে লাগাতে পারি?

ক. কথা বলা।

খ. ম্যাসেজ পাঠানো।

গ. টেলিফোন ইনডেক্স।

ঘ. ঘড়ি।

ঙ. এলার্ম ক্লক।

চ. রিমাইন্ডার।

ক. কথা বলাঃ আপনি কোন পর্য্যায়ের দায়িত্বশীল। আপনারও একজন উর্ধ্বতন দায়িত্বশীল আছেন। আপনি এই মুহুর্তে একটা অনুষ্ঠানের খবর পেলেন। যা ১০জন ভাইকে জানাতে হবে। রাত তখন ৯টা। আপনি গাড়ী চালাচ্ছেন, যাচ্ছেন ৭০ কিলোমিটার দূরের পথ। ফিরবেন রাত ১১টার পর। ততক্ষণে সবাই ঘুমিয়ে যাবে-যাদের কাছে দাওয়াত পৌছানোর কথা। গাড়ীতে বসে বসেই আপনি ১০জনকে ফোনে খবর পৌছাতে পারেন। আপনার পুরো সময়টা বেঁচে যাবে। তবে মনে রাখবেনঃ গাড়ী ড্রাইভ করা অবস্থায় সরাসরি মোবাইলে কথা বলা আইনতঃ দন্ডনীয় আর বিপজ্জনকও বটে। তাই কথা বলার সময় ব্লুটুথ ডিভাইস বা এয়ার ফোন ব্যবহার করতে হবে।

খ. ম্যাসেজ পাঠানো ঃ অনেক মোবাইর অপারেটর রিচার্জের উপর বোনাস হিসাবে ফ্রি মেসেজ ফ্যাসেলিটি দিয়ে থাকে। কিন্তু আমরা তার ব্যবহার করিনা। ম্যাসেজ পাঠানোতে অভ্যস্ত হয়ে এই বোনাস ইউজ করতে পারেন। আপনি যদি নিশ্চিত হোন যে, যার কাছে ম্যাসেজ পাঠাচ্ছেন, তিনি ম্যাসেজ পাঠে অভ্যস্ত। তাহলে কথা বলার চেয়ে ম্যাসেজ পাঠানো সহজ, নিরাপদ। একই সাথে তার খরচ কম আর সময় লাগে একদম কম। আপনার তথ্য অত্যন্ত সঠিক ভাবে আপনি পৌছাতে পারছেন। ১০ জন ভাইকে মাত্র ১ ক্লিকে আপনি আপনার তথ্য দিতে পারতেছেন।

ম্যাসেজের মাধ্যমে আপনি দাওয়াতী কাজ করতে পারেন। “ঈদ মেবারক” “রামাদ্বানুল মুবারক” ইত্যাদি লিখে পাঠিয়ে দিন আপনার কাংখিত ভাই/বোনের কাছে। যে কোন প্রোগ্রামের রিমাইন্ডার দিয়ে প্রোগ্রাম শুরুর ঘন্টা দু’য়েক আগে পাঠাতে পারেন। টেলিফোন নম্বর বা পিন কোড বা ঠিকানা টেলিফোনে না বলে ম্যাসেজ করুন এর মাধ্যমে পাঠানো অত্যন্ত নিরাপদ।

গ. টেলিফোন ইনডেক্স ঃ অনেক শিক্ষিত জনের কাছে দেখেছি মাত্র ২৫/৩০টা নম্বর সেইভ করা। সাধারণত সিমে ২৫০টি আর সেটে ২৫০ থেকে ৫০০টি নম্বর সেইভ করা যায়। সাধারণ মানে চেয়ে একটু উন্নত ৪৫০ বা ৫০০ রিয়ালের মোবাইলে সহ¯্রাধিক ব্যক্তির নাম টেলিফোন ই-মেইল ইত্যাদি সেইভ করার ব্যবস্থা রয়েছে।। অনেকের মোবাইলে নম্বর সেইভ করতে অভ্যস্ত নন। প্রায়ই ফোন করেন অমুক ভাইয়ের নম্বর চাই। আপনি নম্বর সেইভ করতে অভ্যস্ত হোন। যাদের সাথে আপনার প্রায়ই যোগাযোগের প্রয়োজন পড়ে বা যাদের সাথে আপনি যোগাযোগ করতে বাধ্য বা যারা আপনাকে কখনো কখনো ফোন করে থাকেন-এমন সকল ব্যক্তির নম্বর আপনার মোবাইলে সেইভড থাকতে হবে। এতে আপনার সময় বাঁচবে, আপনি টেলিফোনকারীকে চিনতেছেন এমন অবস্থায় কথা শুরু করতে পারবেন, আপনি নম্বও সরবরাহ করে খেদমতের সুযোগ নিতে পারবেন। 

ঘ. ঘড়ি ঃ ঘড়ির ব্যবহার এখন উঠে গেছে। কেউ আর ঘড়ি খুব ব্যবহার করেন না। মোবাইল এখন ঘড়ির কাজ দিচ্ছে। অতএব আপনিও মোবইলকে সময় দেখার কাজে ব্যবহার করুন। ঘড়িটাকে ডিজিটাল বা এনালগ স্ক্রীন সেভার হিসাবে মোবাইলে সেট করা যায়। যা আপনার সময় দেখার কাজকে আরো স্বাচ্ছন্দময় করবে। আপনি সে আলোকে আপনার মোবাইলকে সেট করে নিতে পারেন।

ঙ. এলার্ম ক্লক ঃ মোবাইল এলার্ম ক্লকের কাজ করছে। আপনি চাইলে একাধিক এলার্ম ফিট করতে পারেন। যেমনঃ ৫ওয়াক্ত নামাযের এলার্ম, ডিউটির এলার্ম, হলিডে এলার্ম, উইকরী এপোয়েন্টম্যান্ট এলার্ম ইত্যাদি। যা আপনার সময় মতো নামায, ডিউটি, এপোয়েন্টম্যান্ট রক্ষা ইত্যাদিকে স্মরণ করিয়ে দেবে।

চ. রিমাইন্ডার ঃ আপনার পুরো মাসের প্রোগ্রাম রিমাইন্ডারে ফিট করে রাখতে পারেন। সময় মতো আপনার মোবাইল আপনাকে প্রোগ্রামের দাওয়াত দেবে। আর এটার অভ্যাস করতে পারলে সুবিধা হলো, একই সময়ে একাধিক কাজ আপনার হবেনা। আপনি মোবাইলের ক্যালেন্ডার অপসনে গিয়ে পুরো মাসের পরিকল্পনাকে আপনার মতো করে সাজিয়ে রাখতে পারেন। মাসের যে কোন সময়ে আপনাকে সেই কাজটা করার জন্য মোবাইল আপনাকে জাগিয়ে দেবে।

তাছাড়াঃ নোট, ফটো, ভিডিও, সাউন্ট ক্লিপ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইন্টারনেট কল, স্কাইপি, ম্যাপ ইত্যাদি সব কিছু আপনি পাচ্ছেন ঐ মোবাইল সেটে। এখন আপনি তা ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে। আপনাকে মোবাইল নামক নিয়ামতের ফায়দা গ্রহণ করতে হবে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s